বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের সম্পূর্ণ নতুন একটি রহস্যময় কাহিনী

আপনারা সবাই কম বেশি হয়তো বারোমুনা ট্রাইএঙ্গেলের নাম শুনেছেন. আর নাম শুনে থাকলে হয়তো এটাও শুনেছেন যে বার্মুনার ট্রাইএঙ্গেল এর উপর দিয়ে কোন উড়োজাহাজ

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন. বন্ধুরা আপনারা সবাই কম বেশি হয়তো বারোমুনা ট্রাইএঙ্গেলের নাম শুনেছেন. আর নাম শুনে থাকলে হয়তো এটাও শুনেছেন যে বার্মুনার ট্রাইএঙ্গেল এর উপর দিয়ে কোন উড়োজাহাজ বা জাহাজ উড়ে গেলে তা ডুবে যায় অথবা উধাও হয়ে যায়.


এই রহস্যময় জায়গাটিকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন ধারণা প্রচলিত রয়েছে. কেউ কেউ মনে করে এই জায়গাটিতে এলিয়েন আছে. আবার কেউ মনে করেন আক্লান্তিকে শহরটি এখানেই ডুবেছে.


এছাড়াও আরো অনেকে অনেক কিছু মনে করে থাকে, কিন্তু আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে জানাবো কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা আর এর সাথে আপনাদেরকে পৃথিবীর সেই ব্যক্তিটির সম্পর্কে জানাবো,

যে কিনা বারমুনা ট্রাইএঙ্গেল থেকে জীবিত ফিরে এসেছেন. তাহলে চলুন আর দেরি না করে পোষ্ট শুরু করা যাক.

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের সম্পূর্ণ নতুন একটি রহস্যময় কাহিনী



এই বারমুড়া ট্রাইএঙ্গেলটিতে অনেক রহস্যময় ঘটনা ঘটেছে. যেমন প্রায় একশো এক বছর আগে আমেরিকার একটি জাহাজ এর উপর দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই রহস্যময়ভাবে গায়েব হয়ে যায়. এই জাহাজটিতে এগারো হাজার কেজি কয়লা আর তিনশো জন যাত্রী ছিল.


আর এটি গায়েব হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়. কিন্তু এর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি. উনিশশো আঠারো সালে যখন এই জাহাজটি গায়েব হয়েছিল, তখন প্রথম বিসর্জু চলছিল. আর আনা হয় যে এটা জার্মানির লোকদের কোনো ষড়যন্ত্র.



কিন্তু জার্মানীরা এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে. তারা বলেন যে এই বিষয়ে তারা কিছুই জানে না. আর এতে তাদের কোনো হাত নেই আবার অনেকেই বলেছিলেন যে এই জাহাজটি তার অতিরিক্ত ওজনের কারণে ডুবে গিয়েছিল. আচ্ছা মানলাম এই দুটি কথাই সঠিক. তাহলে এই বারমুডা টাইঙ্গেল কে নিয়ে কিসের এত রহস্য? এই রহস্যটির পর্দা ওঠানো হবে আমাদের দ্বিতীয় স্টোরিতে.


গল্পটি হচ্ছে উনিশশো পঁয়তাল্লিশ সালে. যখন আমেরিকার পাঁচজন পাইলট তাদের যুদ্ধের বিমান গুলো নিয়ে অন্যান্য দিনের মতো practice এর জন্য বের হয়েছিল.



সেদিনই তারা প্রথম বারমুনা ট্রাইএঙ্গেল এর উপর দিয়ে যাচ্ছিল. ঠিক তখনই সেই pilot গুলো সহ তাদের বিমান গুলো উধাও হয়ে যায়. Radio ষ্টেশন থেকে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়. তারপর আমেরিকান এয়ার ফোর্স রা ভাবলো যে একটি বড় প্লেন পাঠিয়ে তাদের খোঁজ আনা যায়. তেরো জন লোক মিলে সেই প্লেনে করে তাদের খুঁজতে থাকে.



কিন্তু সেই প্লেনটিও গায়েব হয়ে যায়. এবং সবাই অনেক চিন্তায় পড়ে যায়. সবাই ছয়টি plane এর খোঁজ করে. কিন্তু কেউ কোনো খোঁজ পায়নি. অনেক সময় এরকমও হয়েছে যে সমুদ্রের তলদেশে অনেক উড়োজাহাজ পাওয়া গেছে.

আরও পড়ুনঃ Vampire এর নতুন রহস্য গল্প। ভ্যাম্পায়ার কি?


কিন্তু সেগুলোর একটিরও সেই প্লেনের সাথে কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি. ওই বিমান গুলোর একটিরও আজ পর্যন্ত কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি. আর এটিও পৃথিবীর অন্যান্য রহস্যের মতো একটি বড় রহস্য হয়ে থেকে গিয়েছে. এরপর অনেকেই অনেক ধরনের মত প্রকাশ করেছেন.


কেউ বলে জায়গাটি ভুতুড়ে এবং এটি কোন ভুতের কাজ. আবার অনেকে বলে এটা alien এর কাজ. এছাড়া আরো অনেকে অনেক কিছুই বলেছিলেন.


এবং কলম্বাসও জানান যে তারা যখন এই জাহাজটির পাস দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের কম্পাসটি একটু কিছু আজব ইশারা করেছিল. এরপর অনেক বছর পর্যন্ত এই ঘটনাগুলো নিয়ে কেউ আর কিছু বলেননি. আর সব কিছু শান্ত হয়ে যায়, কিন্তু এই ঘটনাটি আবার আলোড়ন সৃষ্টি করে উনিশশো চৌষট্টি সালে.


যখন ভ্যানস্যান গাড়িস নামের একটি লোক এটার উপর একটি আর্টিকেল দেখেন. আর সেটা পত্রিকায় প্রকাশ করে. তার এই খোঁজের পর একটি নতুন ধারণা, আর একটি নতুন প্রমাণ জন্মায়, যেখানে সে জানিয়েছে যে,


এই পৃথিবীর বাইরেও আরও একটি পৃথিবী আছে. যেটা বারমুড়া ট্রাইএঙ্গেলের ভিতরে অবস্থিত. সেখানে হয়তোবা এলিয়ান, ভুতপ্যাত ইত্যাদির বসবাস.এখন শুধু একটাই পথ খোলা ছিল এই রহস্য ভেদ করার জন্য. আর সেটা হলো এই ট্রাইএঙ্গেল থেকে ফিরে আসা একজন ব্যক্তি যে কিনা বলতে পারবে যে এর ভিতরে কি আছে আর কি কি ঘটছে?


আর এমন একজনকে পাওয়াও যায়. যে কিনা একজন পাইলট ছিল. আর সে বারমুনা ট্রাইএঙ্গেল থেকে জীবিত ফিরে এসেছিলেন, এই লোকটির নাম ছিল ব্রুস জার্মান, এই লোকটির কাছ থেকে আসল সত্যটি জানা যাবে কারণ তিনিই একমাত্র ব্যাক্তি যে কিনা বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল থেকে জীবিত ফিরে এসেছিলেন তিনি বলেছিলেন ঊনিশশো সত্তর সালের যখন তিনি তার বাবা আর তাদের একজন ব্যবসায়ীর অংশীদার একটি ছোট্ট plane এ করে বাহ মা থেকে মিয়ামা যাচ্ছিলেন.


যখন তারা Barmuda triangle এর উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ করে তাদের সামনে ত্রিবুজ আকৃতির একটি বড় মেঘ চলে আসে তখন plane পিছনে ঘোরানোর সময় না পাওয়ায় তারা সেই মেঘের ভিতরেই চলে যায়. মেঘটি অনেক ঘন আর কালো আর সেই সাথে প্রচুর বিদ্যুৎ চমকানোর কারণে তারা কিছু দেখতে পাচ্ছিল না.


তিনি বলেছিলেন তার মনে হচ্ছিল তারা অন্য এক দুনিয়ায় চলে এসেছেন. তিনি আরো বলেন তার মনে হচ্ছিল যেন তারা কোন কালো মেঘের গুহায় ঢুকে পড়েছে. তারা কোন কিছু না বুঝতে পেরে খুব দ্রুত plane নিয়ে সামনে গুঁজে থাকে.



কিন্তু কাহিনী এখানেই শেষ নয়. তিনি আরো বলেন, তারপর তারা দেখতে পায় তাদের এমন রেখা উৎপন্ন হতে থাকে যা ঘড়ির কাঁটার মতো দেখতে আর সেই রেখা গুলো গোল গোল হয়ে ঘুরছিল. সে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না. যে এখানে কি হচ্ছে?



সে জানায় যে এই পুরো ঘটনাটি তিন মিনিট পর্যন্ত চলতে থাকে. আর সে আরো জানান, যখন তারা এই ম্যাগটি থেকে বেরিয়ে আসে তখন তারা নীল আকাশ দেখতে পান. বরং চারদিকে সাদা ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছিলেন. তারা বুঝতে পারছিলেন না যে আকাশ কোথায় আর সমুদ্র কোথায়?

 

প্লেনে লাগানো সকল পথ নির্দেশক যন্ত্র খুব তাড়াতাড়ি ঘুরছিল. আর এইগুলোর উপরে কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ চলছিল না. কিছু সময়ের জন্য তারা প্রায় পৃথিবী থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল. আর কোন রেডিও স্টেশনের সাথেও যোগাযোগ করতে পারছিলেন না. কিন্তু কিছুক্ষণ পর সৌভাগ্যক্রমে তারা একটি radio ষ্টেশন এর সাথে সংযুক্ত হতে পারে.



আর তারা তাদের অনুরোধ করে তাদের পথ দেখানোর জন্য. তখন রেজিস্ট্রেশনের লোক জানায় যে রাডার আপনার প্লেন নির্দেশ করতে পারছে না. কিন্তু কিছুক্ষণ পর সামনের ধোঁয়া কম হয় আর প্লেনটি রাডারে দেখতে পাওয়া যায়. আর তারা অবাক হন এটা ভেবে, যে যেই স্পিডে তারা প্লেনটি চালিয়ে এসেছেন এই স্পিডে তো কোন সাধারণ প্লেন চালানো সম্ভব নয়.



তার মানে একটি সাধারণ প্লেন এক ঘন্টায় একশো কিলোমিটার পার করতে পারে. আর তারা দুইশো কিলোমিটার পার করেছিলেন. এই প্লেনটির গতি পৃথিবীর সবচেয়ে ফাইটার প্লেনের চেয়েও বেশি ছিল. অবশেষে সকল বাধা পার করে তারা সফলতার সাথে মাটিতে নেমে আসে.


কিন্তু পাইলট এখনো হয়রান ছিল. কারণ যখন পাইলট ফিউল ট্যাঙ্ক চেক করেন তখন দেখতে পান যতটুকু তেল শেষ হওয়ার কথা ছিল তার অর্ধেক তেল খরচ হয়েছে যা কিনা খুবই আশ্চর্যজনক ছিল. এই প্রশ্নের উত্তর কোন বিজ্ঞানী আজ পর্যন্ত দিতে পারেনি.

 

যে সেখানে কি হয়েছিল? এখনো খোঁজ চালানো হচ্ছে এটা জানানোর জন্য যে সেখানে কি ঘটেছিল? ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রদান করে. কিছু বিজ্ঞানে জানান যখন তারা ঐখান দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন magnetic field তৈরি হয়েছিল.


যার কারণে তাদের প্লেনের গতি এতটা বৃদ্ধি পেয়েছিল. তো এই ছিল আজকের পোষ্ট। পোষ্ট টি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ